মেধাবী ভারতের রিফাত শাহরুখ। রিফাত তৈরি করেন বিশ্বের সবচেয়ে হালকা স্যাটেলাইট ‘কালামস্যাট’। এর সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত - রিফাতের হালকা স্যাটেলাইটটি মাইক্রো মধ্যাকর্ষণ পরিবেশে ১২ মিনিট ধরে কার্যকর রাখা হবে।

ভারতের তামিলনাড়ুর কিশোর রিফাত শারুক মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র এবং হালকা স্যাটেলাইট তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

আগামী ২১ জুন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা উপকক্ষপথে স্থাপনের জন্য ‘কালামস্যাট’ নামক এই উপগ্রহটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ালপস দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করবে।

তামিলনাড়ুর পাল্লাপাট্টি শহরের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী শারুক, তার এই আশ্চর্যজনক স্যাটেলাইটটির নামকরণ করেছে ভারতের প্রয়াত বিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে আবদুল কালামের নামে।

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও হালকা স্যালেটাইট শারুক বানিয়েছে নাসার একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। ‘কিউবস ইন স্পেস’ শীর্ষক এই প্রতিযোগিতার আয়োজক ছিল নাসা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা সংস্থা আইডুডল লার্নিং ইঙ্ক। শারুকের ‘কালামস্যাট’ স্যাটেলাইটটির ওজন মাত্র ৬৪ গ্রাম। স্যাটেলাইটটি চার ঘণ্টার একটি মিশনে উপকক্ষপথে পরিভ্রমণ করবে। এই সময়টাতে মহাশূন্যে মাইক্রো গ্র্যাভিটি পরিবেশে ১২ মিনিট কাজ করবে।

কিশোর এই বিজ্ঞানী ভারতের চেন্নাইভিত্তিক ‘স্পেস কিডজ ইন্ডিয়া’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিজ্ঞানী। শিশু-কিশোরদের বিজ্ঞানে উৎসাহিত করতে কাজ করে স্পেস কিডজ ইন্ডিয়া।-বিবিসি

মেধাবী ভারতের রিফাত শাহরুখ। প্রাথমিক স্কুলে থাকার সময় থেকেই মহাকাশ নিয়ে তার প্রবল আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ আর উৎসাহ থেকে রিফাত শাহরুখ জায়গা করে নেন স্পেস কিডজ ইন্ডিয়াতে। আরও কয়েকজন কিশোরকে নিয়ে গত দুই তিন বছর ধরে রিফাত স্যাটেলাইট তৈরির চেষ্টা করেছেন। অবশেষে রিফাত তৈরি করেন বিশ্বের সবচেয়ে হালকা স্যাটেলাইট ‘কালামস্যাট’। ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট এপিজে আবদুল কালামের নামে নামকরণ করেছেন স্যাটেলাইটটি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘কিউব ইন স্পেস’ শীর্ষক এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাক লাগিয়ে দেয় রিফাতের ৬৪ গ্রাম ওজনের ক্ষুদে স্যাটেলাইটটি। ২০১৭ সালের জুনে ভার্জিনিয়াতে এর সফল উৎক্ষেপণ করেছে নাসা। রিফাতের হালকা স্যাটেলাইটটি মাইক্রো মধ্যাকর্ষণ পরিবেশে ১২ মিনিট ধরে কার্যকর রাখা হবে।

Author Profile

Brandon Corvis
Brandon Corvis
ব্র্যান বেশিরভাগ বিজ্ঞান নিয়েলেখেন এবং জনপ্রিয় বিজ্ঞানীদের লেখক। তিনি বিজ্ঞানকে সহজতর করে তুলে ধরেছেন, যা সবাইকে মূলধারার বিজ্ঞানের কঠিনগ বিষয়গুলো যাতে সবার কাছে সহজ ভাবে বোঝানো যায়।

Sharing is caring!