দ্বিতীয় সংস্করণ

“দ্য ব্যাঙ্কস ও ডুন ” (আধুনিক স্কটস: দ্য ব্যাঙ্কস ও ডুন) রবার্ট বার্নসের লেখা একটি স্কটস গান যা ১৭৯১ সালে রচিত অনেক সময় এই গানটি “ইয়ে ব্যাংকস এন্ড ব্রেস” নামে পরিচিত (তৃতীয় সংস্করণের শুরুর পরে)। বার্নস বেঁধেছিলো এবং তার গানের কলির সুর বসানো হয়েছিল দ্য ক্যালেডোনিয়ান হান্টস ডিলাইট। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর একই সুরে বেঁধেছিলেন ফুলে ফুলে ঢ’লে ঢ’লে।

এই গানটি মার্গারেটের (পেগি) কেনেডি (1766-95) এর গল্প দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল, যিনি বিত্তশালী পরিবারের পুত্র এবং উইগটনশায়ারের সংসদ সদস্য ছিলেন অ্যান্ড্রু ম্যাকডৌল তাকে প্ররোচিত করেছিলেন এবং পরে তাকে ত্যাগ করেছিলেন। কেনেডি বিয়ের ঘোষণাকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, তবে মামলার রায় দেওয়ার আগেই তিনি মারা যান। যদিও কনসোর্টোরিয়াল আদালত বিবাহের দাবিটিকে বৈধ বলে মনে করেছিল, আদালত বিবাহের সিদ্ধান্তটিকে ব্যর্থ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তবে ম্যাকডৌলকে কেনেডি কন্যার পিতা বলে প্রমাণিত করে এবং আদেশ দিয়েছিলেন যে তিনি কেনেডি এর এস্টেটে £ 3,000 প্রদান করবেন এবং সন্তানের জন্য ব্যবস্থা করবেন (বার্নস দ্বিতীয় লিখেছেন) পেগির সম্পর্কে কবিতা, তিনি 18 বছর বয়সে কার সাথে দেখা করেছিলেন – ইয়ং পেগি ব্লুমস।

গানের কলি

বার্নস গানের তিনটি সংস্করণ লিখেছিলেন, সবগুলিই ১৭৯১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

First VersionSecond VersionThird Version
Sweet are the banks — the banks o’ Doon,
The spreading flowers are fair,
And everything is blythe and glad,
But I am fu’ o’ care.
Ye flowery banks o’ bonnie Doon,
How can ye bloom sae fair;
How can ye chant, ye little birds,
And I sae fu’ o’ care!
Ye banks and braes o’ bonnie Doon,
How can ye bloom sae fresh and fair;
How can ye chant, ye little birds,
And I sae weary, fu’ o’ care!
Thou’ll break my heart, thou bonie bird,
That sings upon the bough;
Thou minds me o’ the happy days
When my fause Luve was true:
Thou’ll break my heart, thou bonie bird,
That sings upon the bough!
Thou minds me o’ the happy days
When my fause Luve was true.
Thou’ll break my heart, thou warbling bird,
That wantons thro’ the flowering thorn:
Thou minds me o’ departed joys,
Departed never to return.
Thou’ll break my heart, thou bonie bird,
That sings beside thy mate;
For sae I sat, and sae I sang,
And wist na o’ my fate.
Thou’ll break my heart, thou bonie bird,
That sings beside thy mate;
For sae I sat, and sae I sang,
And wist na o’ my fate.
Aft hae I rov’d by bonie Doon,
To see the woodbine twine;
And ilka birds sang o’ its Luve,
And sae did I o’ mine:
Aft hae I rov’d by bonie Doon,
To see the woodbine twine;
And ilka bird sang o’ its Luve,
And sae did I o’ mine.
Aft hae I rov’d by Bonie Doon,
To see the rose and woodbine twine:
And ilka bird sang o’ its Luve,
And fondly sae did I o’ mine;.
Wi’ lightsome heart I pu’d a rose,
Upon its thorny tree;
But my fause Luver staw my rose
And left the thorn wi’ me:
Wi’ lightsome heart I pu’d a rose,
Upon its thorny tree;
But my fause Luver staw my rose,
And left the thorn wi’ me.
Wi’ lightsome heart I pu’d a rose,
Fu’ sweet upon its thorny tree!
And may fause Luver staw my rose,
But ah! She left the thorn wi’ me.
Wi’ lightsome heart I pu’d a rose,
Upon a morn in June;
And sae I flourished on the morn,
And sae was pu’d or noon!
Wi’ lightsome heart I pu’d a rose,
Upon a morn in June;
And sae I flourished on the morn,
And sae was pu’d or noon.

Tagore's version

ফুলে ফুলে ঢ’লে
(Phule Phule Dhole Dhole)

A Touch of a Sweet Breeze

Dance Song

Dance Song

(Bengali)

(English)

ফুলে ফুলে ঢ’লে ঢ’লে বহে কিবা মৃদু বায়,
তটিনী হিল্লোল তুলে কল্লোলে চলিয়া যায়
পিক কিবা কুঞ্জে কুঞ্জে কুহূ কুহূ কুহূ গায়,
কি জানি কিসের লাগি প্রাণ করে হায় হায়!

A touch of a sweet breeze
That today softly cradles the buds,
A winding stream that gently gurgles
In its happy, playful journey,
The cuckoo sings in the trees and gardens
Cuckoo, cuckoo, cuckoo,
My absent heart does not know why
It was borne away completely.

তৃতীয় সংস্করণ

Author Profile

Rabindranath Tagore
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়।[৪] রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[১৫][১৬][১৭][১৮] বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তাঁর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তাঁর "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তাঁর পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তাঁর মৃত্যু হয়।

রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।[২৮] রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।[২৯] ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তাঁর রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল।[৩০] কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন।[৩১] সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন।[৩২] এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।[৩৩] রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন।[৩৪] সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন।[৩৫] রবীন্দ্রনাথের গান তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি।[৩৬] তাঁর রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত।[

Sharing is caring!